ব্রিটিশ আগমনের পর থেকেই মুসলমানরা তাদের বিরুদ্ধে তৎপর ছিল। লড়াই করে গিয়েছে প্রতিটি আন্দোলন-সংগ্রামে। কিন্তু তাদের সেই বিপ্লবী জীবনকে মুছে ফেলতে চেয়েছে মুসলিমবিরোধী তথাকথিত ঐতিহাসিকরা। মুসলমানদের সেই অবদান স্মরণ করিয়ে দেবে
সেই বইগুলো পাচ্ছেন আমাদের কাছে ।
ইংরেজদের আগমনের পর থেকেই মুসলমানরা তাদের বিরুদ্ধে তৎপর ছিল। লড়াই করে গিয়েছে প্রতিটি আন্দোলন-সংগ্রামে। কিন্তু তাদের সেই বিপ্লবী জীবনকে মুছে ফেলতে চেয়েছে মুসলিমবিরোধী তথাকথিত ঐতিহাসিকরা। মুসলমানদের অবদান স্মরণ করিয়ে দেবে ‘ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনে মুসলমানদের অবদান’ বইটি।
১৭৫৭ খ্রিষ্টাব্দে নবাব সিরাজউদ্দৌলার পরাজয়ের মাধ্যমে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি ভারত শাসন শুরুর পর প্রথম ব্যাপক বিদ্রোহের মুখোমুখি হয় একশ বছর পর ১৮৫৭ খ্রিষ্টাব্দে। উপমহাদেশব্যাপী শুরু হয় আজাদি আন্দোলন। নাম দেওয়া সিপাহি বিদ্রোহ নামে। অথচ এই সংগ্রাম ছিল ব্রিটিশবিরোধী সংগ্রামে গোটা উপমহাদেশের মানুষের স্বাধীনতা সংগ্রাম। ইংরেজরা তাদের প্রয়োজনে এই সংগ্রামকে দিতে চেয়েছে ভিন্ন রূপ। বলতে চেয়েছে, এটি কোনো স্বাধীনতা-সংগ্রাম ছিল না; ছিল কেবল গুটিকয়েক সৈনিকের বিদ্রোহ। ‘১৮৫৭ : সিপাহি বিপ্লবের ইতিবৃত্ত’ তাদের সেই ধারণার ওপর আঘাত হানবে।।
নবাব সিরাজউদ্দৌলার মৃত্যুর পর ইংরেজদের সামনে সবচেয়ে বড় বাধা হয়ে উঠেছিল ফকির বিদ্রোহ ও তার নায়ক মজনু শাহ উরফে নবাব নূরুদ্দীন বাকের মুহাম্মদ জং উরফ কৃষকনেতা নূরুলদীন। নিকৃষ্টভাবে এই বিদ্রোহ প্রতিহত করার পর বাংলার প্রথম স্বাধীনতা সংগ্রামকে সামান্য গুটিকয়েক ফকির-সন্ন্যাসীর বিদ্রোহ বলে চালিয়ে দিয়েছিল ইংরেজরা। তাই আমরা এই সংগ্রামকে চিনেছি কেবল ফকির-সন্ন্যাসী বিদ্রোহ নামে। অথচ এটি ছিল বাংলাব্যাপী প্রথম স্বাধীনতা-সংগ্রাম। কীভাবে এবং কেন তারা এটা করেছিল, তার জবাব পাবেন ‘ফকির বিদ্রোহ ও মজনু শাহ’ বইটির পাতায় পাতায়।
ইংরেজরা দীর্ঘ দুইশ বছর ভারত উপমহাদেশ শাসন করেছে। জুলুম-অত্যাচার আর লুণ্ঠনে দেশটির অবস্থা নাজেহাল করে ছেড়েছে। এ দেশের সম্পদ দিয়ে নিজেদের দেশে তথাকথিত ‘শিল্প বিপ্লব’ বাস্তবায়ন করেছে। ভারত উপমহাদেশের সেই পূর্ব রূপ-লাবণ্য, ইংরেজদের শোষণ-লুণ্ঠনের ইতিহাস জানতে পারবেন ‘হিন্দুস্তান : ব্রিটিশ আগ্রাসনের আগে ও পরে’ বইটি থেকে।